কাজের ব্যস্ততার কারণে অনেকের ব্যক্তিগত সময় কমে যায়। দীর্ঘদিন এমন চললে ক্লান্তি ও মানসিক চাপ বাড়তে পারে।
কাজের নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা, অগ্রাধিকারের তালিকা তৈরি এবং বিশ্রামের জন্য আলাদা সময় রাখলে দৈনন্দিন জীবন আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাজের বাইরে পরিবার, শখ ও বিশ্রামের জন্য সময় রাখা দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা বাড়াতেও সহায়তা করতে পারে।


