HomeTop Newsদুইপক্ষ এক হয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

দুইপক্ষ এক হয়ে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। দেশের কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই- পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা অর্থ সরবরাহ করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থ সরবরাহ করে তারা কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা বিভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা মিথ্যা কথা বলে নির্বাচনের আগে বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল- এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’

মঙ্গলবার বিকালে রাজশাহীতে ‘আঁখচাষিদের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে তারেক রহমান এসব কথা বলেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করেছে। সেই সব শহীদদের স্মরণে আমরা ঢাকায় স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।’

যারা একাত্তরে ধোকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও ধোকা দিয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম।  যারা মুখে চব্বিশকে ধারণ করে তাদেরও দাওয়াত দিয়েছি। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সব দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। আর তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজ ও প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছি।’

জনগণ তাদের টিকিট খায় না মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তারা যেন কী টিকিট বিক্রি করেছিল। সেই টিকিট জনগণ খায় না। তখন বলেছিল- রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড। ফ্যামিলি কার্ড বন্ধ হলে মা-বোন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাদের তো কিছু যায় আসে না। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড চালু করব কি না।’

তিনি বলেন, ‘উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ১২ তারিখে যেভাবে বিএনপির পাশে ছিলেন, আগামী ৫ বছরও বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। সেই সব ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল যারা একাত্তর সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, দেশকে ভিন্নপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।’

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments