Add more content here...
Dhaka ০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

ভুরুঙ্গামারীতে মামলার কুখ্যাত ডাকাত গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৬৪ Time View

এস এম নুরুল আমিন,
জেলা ক্রাইম রিপোর্টার,কুড়িগ্রাম:
কুখ্যাত ডাকাত শফিকুল ইসলাম সাজু।সে কখনো হোটেল বয়ের কাজ করেন, কখনো ভ্যান চালান, কখনো বা মাছ ধরেন। এসবের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় করেন ডাকাতি। একা নয় ডাকাতি করেন সংঘবদ্ধ গ্রুপে।

গাজিপুর সদরের জেলারপাড় এক প্রবাসীর পরিবারে বাড়ির কক্ষের দরজা ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার স্ত্রী সন্তানকে বেধে ০৭/০৮ জন মিলে স্বর্নসহ মুল্যবান জিনিস লুট করে এই চক্রটি।

সেই ডাকাত দলের সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু। সে শুধু ডাকাতিই করে না, করে মাদক ব্যবসাও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলাও আছে।
উক্ত দলের একাধিক ডাকাত সদস্য ধরা পরলেও কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলো সাজু।

গাজীপুরের পুলিশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ নিশ্চিত হয় তার অবস্থান।
শত ছলচাতুরির পরে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম তাকে পাইকেরছড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করে এবং গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

উক্ত বিষয়ে গত ১৭ই জানুয়ারী বুধবার ২০২৪ইং গাজিপুর মেট্রোপলিটনের সদর থানায় একটি ডাকাতির মামলা রুজু হয়।

কুড়িগ্রামের পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, গ্রেফতারকৃত কুখ্যাত ডাকাত ও মাদক কারবারি শফিকুল ইসলাম সাজু বিভিন্ন সময়ে গাজিপুরে একটি চক্রের সাথে ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে পুনরায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কখনো হোটেল বয় আবার কখনো জেলে সেজে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকত এবং তার বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় পূর্বের ১টি মাদক মামলা রয়েছে।

নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

টেকনাফ সেন্টমার্টিন,ভ্রমণ

x

ভুরুঙ্গামারীতে মামলার কুখ্যাত ডাকাত গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

এস এম নুরুল আমিন,
জেলা ক্রাইম রিপোর্টার,কুড়িগ্রাম:
কুখ্যাত ডাকাত শফিকুল ইসলাম সাজু।সে কখনো হোটেল বয়ের কাজ করেন, কখনো ভ্যান চালান, কখনো বা মাছ ধরেন। এসবের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় করেন ডাকাতি। একা নয় ডাকাতি করেন সংঘবদ্ধ গ্রুপে।

গাজিপুর সদরের জেলারপাড় এক প্রবাসীর পরিবারে বাড়ির কক্ষের দরজা ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার স্ত্রী সন্তানকে বেধে ০৭/০৮ জন মিলে স্বর্নসহ মুল্যবান জিনিস লুট করে এই চক্রটি।

সেই ডাকাত দলের সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু। সে শুধু ডাকাতিই করে না, করে মাদক ব্যবসাও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলাও আছে।
উক্ত দলের একাধিক ডাকাত সদস্য ধরা পরলেও কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলো সাজু।

গাজীপুরের পুলিশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ নিশ্চিত হয় তার অবস্থান।
শত ছলচাতুরির পরে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম তাকে পাইকেরছড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করে এবং গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

উক্ত বিষয়ে গত ১৭ই জানুয়ারী বুধবার ২০২৪ইং গাজিপুর মেট্রোপলিটনের সদর থানায় একটি ডাকাতির মামলা রুজু হয়।

কুড়িগ্রামের পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, গ্রেফতারকৃত কুখ্যাত ডাকাত ও মাদক কারবারি শফিকুল ইসলাম সাজু বিভিন্ন সময়ে গাজিপুরে একটি চক্রের সাথে ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে পুনরায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কখনো হোটেল বয় আবার কখনো জেলে সেজে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকত এবং তার বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় পূর্বের ১টি মাদক মামলা রয়েছে।

নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।