Add more content here...
Dhaka ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ি আর,কে গ্রুপে বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন টাঙ্গাইল গোপালপুরে ২০১ গম্বুজ মসজিদ চত্বরে পুলিশ বক্স স্থাপন শহিদ বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি পেলেন স্কুল শিক্ষক মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস  ২০২৪ উপলক্ষে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করলেন নাটোর ১ আসনের অ্যাড: আবুল কালাম আজাদ এমপি মহোদয় টাঙ্গাইল মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করলেন নাটোর ১ আসনের অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এমপি মহোদয় রৌমারীতে মহান শহিদ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত মাধবপুরে মুখ ঝলসে যাওয়া শিশুর আকুতি সিদ্ধিরগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ছিদ্দীকিয়া ইসলামিয়া মাদরাসায় প্রতিযোগিতা ও অভিভাবক সম্মেলন বগুড়ার কাহালুতে দীর্ঘ ২১ বছর পর মা ফিরে পেল তার শারীরিক প্রতিবন্ধী রুস্তম কে
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

রংপুর শহরে বেড়েই চলছে বখাটে সাধারণ মানুষ ও নবীন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩
  • ১২০ Time View

অনেকে বলেন আমি একা ভালো থাকবো, কে কিভাবে চললো এটা দেখে লাভ কি,নিজে ভালো হলে জগত ভালো।আসলে আপনার আশেপাশের সবাই খারাপ হলে আপনি এককভাবে ভালো চলতে পারবেননা।
উত্তর অঞ্চলের শিক্ষা নগরী বলা হয় রংপুর শহরকে।এখানে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্টুডেন্ট আসে।বেশির ভাগ স্টুডেন্ট গ্রাম থেকে আসে।সহজ সরল মনে রাজারহাট থেকেও এবছর অনেক স্টুডেন্ট একাদশ শ্রেণীতে রংপুরের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো কয়েকদিন আগে এক স্টুডেন্ট ফোন দিয়ে বলতেছে স্যার আমি মেস থেকে বাহিরে গেছি প্রাইভেট পড়ার জন্য হঠাৎ করে কয়েকটা ছেলে রাস্তায় আটকিয়ে বলতেছে তোর ফোন টাকা দিয়ে দে-না হলে অবস্থা খারাপ আছে।আবার ছুরি বের করে।

আমাকে বলতেছে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। বললাম দিনের বেলা এমন করবে,কি বলো।

আজকে আবার ” দৈনিক ক্রাইম তালাশ” রাজারহাট প্রতিনিধি কে জানায় দুইটি স্টুডেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। লালবাগ, রাধাবল্লভ এলাকায়, হুট করে পিছন দিক থেকে এসে একটা ছেলে পা লাগিয়ে দিয়ে ও নিজেই বলে পা লাগিয়ে দিলে কেন, আর চোখের পলকে ওদের গ্যাং হাজির।
এসেই বলতেছে ফোন টাকা যা আছে দিয়ে দে।না দিতে চাইলে চর থাপ্পড়।
কথা গুলো শুনার পর খুবই কষ্ট হলো।অনেকে বাসাতেও বলতে পারেনা বাবা-মা টেনশন করবে জন্য।
এই যদি হয় আমাদের শহর গুলোর অবস্থা।নিশ্চয়ই এরা নেশায় আসক্ত।আর এই নেশার টাকার জন্যই ওরা এদেরকে এমন আক্রমণ করে।কারণ ওদের ভালো জানা আছে এরা নতুন মেসে এসেছে।

অনেক আশা করে হয়তো আমাকে বলে কিছু হবে কিন্তু আমার তো এতো বড় ক্ষমতা নাই এদের থেকে রক্ষা করতে পারবো।বাধ্য হয়ে একটু সান্ত্বনা দিলাম তোমরা একা বের হইওনা একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে বের হবা।আমার সাধ্যের মধ্যে কারো বিপদে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাকে হেল্প করার।

অনেক ইচ্ছে হয় যদি ঈশ্বর ক্ষমতা দিতো এদের প্রতিরোধ করার মতো।কিন্তু যাদের ক্ষমতা আছে,ইচ্ছে করলে পারবে তারা কখনো এগুলো বন্ধ করবেনা।প্রশাসন চাইলেই এদের খুজে বের করতে পারে।রাজনৈতিক নেতারা চাইলে তো অনেক কিছু করতে পারে।
কিন্তু কে চাবে,আমাদের সমাজে হয়তো আর কয়দিন পর মানুষ বসবাস করার মতো কোন পরিবেশ থাকবেনা।যদিও এখনে পরিবেশ নাই।

এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করি কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যদি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের একটু উপকার হয়। এটা যে শুধু রাজারহাট থেকে যারা গেছে তাদের সাথে এমন হয়েছে তা নয়।সব জায়গার স্টুডেন্টদের সাথে একই অবস্থা।

রতন কুমার রায়,
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ি আর,কে গ্রুপে বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন

রংপুর শহরে বেড়েই চলছে বখাটে সাধারণ মানুষ ও নবীন শিক্ষার্থীরা আতঙ্কে

Update Time : ০৯:৪৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৩

অনেকে বলেন আমি একা ভালো থাকবো, কে কিভাবে চললো এটা দেখে লাভ কি,নিজে ভালো হলে জগত ভালো।আসলে আপনার আশেপাশের সবাই খারাপ হলে আপনি এককভাবে ভালো চলতে পারবেননা।
উত্তর অঞ্চলের শিক্ষা নগরী বলা হয় রংপুর শহরকে।এখানে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্টুডেন্ট আসে।বেশির ভাগ স্টুডেন্ট গ্রাম থেকে আসে।সহজ সরল মনে রাজারহাট থেকেও এবছর অনেক স্টুডেন্ট একাদশ শ্রেণীতে রংপুরের বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো কয়েকদিন আগে এক স্টুডেন্ট ফোন দিয়ে বলতেছে স্যার আমি মেস থেকে বাহিরে গেছি প্রাইভেট পড়ার জন্য হঠাৎ করে কয়েকটা ছেলে রাস্তায় আটকিয়ে বলতেছে তোর ফোন টাকা দিয়ে দে-না হলে অবস্থা খারাপ আছে।আবার ছুরি বের করে।

আমাকে বলতেছে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। বললাম দিনের বেলা এমন করবে,কি বলো।

আজকে আবার ” দৈনিক ক্রাইম তালাশ” রাজারহাট প্রতিনিধি কে জানায় দুইটি স্টুডেন্টের সাথে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। লালবাগ, রাধাবল্লভ এলাকায়, হুট করে পিছন দিক থেকে এসে একটা ছেলে পা লাগিয়ে দিয়ে ও নিজেই বলে পা লাগিয়ে দিলে কেন, আর চোখের পলকে ওদের গ্যাং হাজির।
এসেই বলতেছে ফোন টাকা যা আছে দিয়ে দে।না দিতে চাইলে চর থাপ্পড়।
কথা গুলো শুনার পর খুবই কষ্ট হলো।অনেকে বাসাতেও বলতে পারেনা বাবা-মা টেনশন করবে জন্য।
এই যদি হয় আমাদের শহর গুলোর অবস্থা।নিশ্চয়ই এরা নেশায় আসক্ত।আর এই নেশার টাকার জন্যই ওরা এদেরকে এমন আক্রমণ করে।কারণ ওদের ভালো জানা আছে এরা নতুন মেসে এসেছে।

অনেক আশা করে হয়তো আমাকে বলে কিছু হবে কিন্তু আমার তো এতো বড় ক্ষমতা নাই এদের থেকে রক্ষা করতে পারবো।বাধ্য হয়ে একটু সান্ত্বনা দিলাম তোমরা একা বের হইওনা একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে বের হবা।আমার সাধ্যের মধ্যে কারো বিপদে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাকে হেল্প করার।

অনেক ইচ্ছে হয় যদি ঈশ্বর ক্ষমতা দিতো এদের প্রতিরোধ করার মতো।কিন্তু যাদের ক্ষমতা আছে,ইচ্ছে করলে পারবে তারা কখনো এগুলো বন্ধ করবেনা।প্রশাসন চাইলেই এদের খুজে বের করতে পারে।রাজনৈতিক নেতারা চাইলে তো অনেক কিছু করতে পারে।
কিন্তু কে চাবে,আমাদের সমাজে হয়তো আর কয়দিন পর মানুষ বসবাস করার মতো কোন পরিবেশ থাকবেনা।যদিও এখনে পরিবেশ নাই।

এই বিষয় গুলো নিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করি কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করুন, যদি সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের একটু উপকার হয়। এটা যে শুধু রাজারহাট থেকে যারা গেছে তাদের সাথে এমন হয়েছে তা নয়।সব জায়গার স্টুডেন্টদের সাথে একই অবস্থা।

রতন কুমার রায়,
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)