Add more content here...
Dhaka ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় বেড়ে উঠা তরুণ লেখক সেলিম হাসান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩
  • ৪৪০ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কলমের কালিতে কথা বলা মানুষ সেলিম হাসানের পৈতৃক নিবাস বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলায়। তাঁর বাবা মুহাম্মদ ফেরদাউস প্রামানিক পেশায় গ্রামের অতি দরিদ্র এক কৃষক, তিনি অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অজস্র অভাব অনটনে কেটেছে জীবনে বেশিরভাগ সময়, প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই পরিবারের পাচঁ সদস্যের। সেলিম হাসান ফেরদাউস প্রামানিকের প্রথম নন্দন। ছোট্ট বেলা থেকেই সে তীক্ষ্ণ মেধাবী, শৈশব কৈশোর কাটিয়ে নানা-নানীর বাড়িতে। সাহিত্যের পোকা ছোট্টবেলা থেকেই তার মস্তিকে গেঁথে ছিল, সেই পাঠ্যবইয়ের গল্প থেকে সাহিত্যের প্রতি অগাধ ভালোবাসা জন্মে। ছোটোবেলা থেকে লেখালেখির প্রতি ভীষণ ঝোঁক ও ভালোবাসা প্রচুর। সেই ভালোবাসা থেকেই কলমের এক দু’ফোঁটা কালির আঁচড়ে সাজান গদ্য-পদ্য। নিজের সবটুকুন আবেগ ভালোবাসা দিয়ে লিখেন প্রতিটি লাইন-বাক্য। তাঁর লেখা সাদামাটা ও ঝরঝরে। যেন অদ্ভুত রকমের জাদু রয়েছে এই মানুষটির লেখায়। সেলিম হাসানের প্রথম বই নীলাবতী নীলাঞ্জনা  অমর একুশে গ্রন্হমেলা ২০২২-এ সময়ের সুর প্রকাশন কর্তৃক প্রকাশিত হয়। এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, উপন্যাসটি পাঠক মহলে খুব সাড়া ফেললে পরের বছরেরই তিনি থ্রিলার জনরার উপন্যাস “প্রতিটি রাতই ভয়ংকর ছিল” প্রকাশ করেন। বইটি পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। বইটির সফলতার জন্য পাঠকমহলে লেখক বেশ প্রংশসিত হয়েছেন। বইমেলায় প্রথম সংস্করণ বিক্রিত হলে দ্বিতীয় সংস্করণ বের করা হয়।  তাঁর লেখা পড়লে এক অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করে। তাঁর প্রতিটি লেখা গিয়ে রেখা টানে মনের অতল গহীনে!তাঁর লেখা গল্প-ছড়া-কবিতা বিভিন্ন অনলাইন ম্যাগাজিন, পত্রিকায় বরাবর প্রকাশ হয়ে আসছে। 
তিনি  বলেন— এখন আমার চলার পথ সরল হলেও একটা সময় ভিষণ বাঁকা ছিল, অজস্র বাঁধা ছিল। বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে এমনকি অনেক আত্মীয় স্বজনরা আমাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করত, লেখালেখি করে কি আর সংসার হবে তারচেয়ে বরং তুমি সময়টা কাজে লাগাও এমন অসংখ্য মন্তব্য আমাকে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে দেয়নি, ভীষণ হতাশায় শেষ হতে চলছিল আমার সাহিত্য যাত্রা। তবে আলহামদুলিল্লাহ! আমার মনোবল ভাঙ্গেনি, আমি চেষ্টা করেছি, আল্লাহ চেয়েছিলেন তাই আমি আজ সেলিম হাসান হতে পেরেছি। খুব শীঘ্রই আমার পাঠকদের জন্য নতুন বই আসছে, আমার প্রাণ আমার পাঠকেরা তাদের কাছে আমি চিরঋণী। আমি তাদের ভালবাসায় বরাবরই মুগ্ধ হই! তাদের ভালোবাসায় এভাবেই কাটিয়ে দিতে চাই ক্ষুদ্র এ’জীবন।খুব ছোট্টবেলা থেকে দারিদ্র্যতার মাঝে আমার বেড়ে ওঠা জীবনে অনেককিছুই অপূর্ণ হ’য়ে গেছে, পূর্ণতার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা যা আমার বুকে সাহস জুগিয়ে যাচ্ছে দিনদিন ভিষণ ভালোবাসি তোমাদের।
তার প্রকাশিতব্য বইয়ের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন— আমি অনেক যত্নে নতুন একটি পান্ডুলিপি নিয়ে কাজ করছি দীর্ঘ সময় জুড়ে নাম–যে গল্প আজও ছাপা হয়নি।
খুব সাদামাটা গল্প নিয়ে রচিত হবে এই রোমান্টিক জনরার  বইটি। শুধু এটুকু জানাতে চাই আমার প্রাণের মানুষদের –কিছুকিছু গল্প আমাদের মস্তিষ্কে গেঁথে যায়। ভাবনায় মিশে যায়।ভাবায় গল্পের চরিত্রগুলো নিয়ে।গল্পটা সাদামাটা হলেও আপনাকে গভীর ভাবে আকর্ষণ করবে।  আপনার তৃষ্ণা বেড়ে যাবে পড়ার জন্য, পড়তে পড়তে আপনি আশ্চর্য ভাবে গল্পের মাঝে ঢুকে পড়বেন। ইনশাআল্লাহ।

এভাবেই লিখে যেতে চান আগামীর দিনগুলোতেও!  পাঠক/ পাঠিকা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রাপ্ত দোয়া ও ভালোবাসায়৷

আপনার সফলতা কামনা করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় বেড়ে উঠা তরুণ লেখক সেলিম হাসান

Update Time : ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কলমের কালিতে কথা বলা মানুষ সেলিম হাসানের পৈতৃক নিবাস বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলায়। তাঁর বাবা মুহাম্মদ ফেরদাউস প্রামানিক পেশায় গ্রামের অতি দরিদ্র এক কৃষক, তিনি অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অজস্র অভাব অনটনে কেটেছে জীবনে বেশিরভাগ সময়, প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা এই পরিবারের পাচঁ সদস্যের। সেলিম হাসান ফেরদাউস প্রামানিকের প্রথম নন্দন। ছোট্ট বেলা থেকেই সে তীক্ষ্ণ মেধাবী, শৈশব কৈশোর কাটিয়ে নানা-নানীর বাড়িতে। সাহিত্যের পোকা ছোট্টবেলা থেকেই তার মস্তিকে গেঁথে ছিল, সেই পাঠ্যবইয়ের গল্প থেকে সাহিত্যের প্রতি অগাধ ভালোবাসা জন্মে। ছোটোবেলা থেকে লেখালেখির প্রতি ভীষণ ঝোঁক ও ভালোবাসা প্রচুর। সেই ভালোবাসা থেকেই কলমের এক দু’ফোঁটা কালির আঁচড়ে সাজান গদ্য-পদ্য। নিজের সবটুকুন আবেগ ভালোবাসা দিয়ে লিখেন প্রতিটি লাইন-বাক্য। তাঁর লেখা সাদামাটা ও ঝরঝরে। যেন অদ্ভুত রকমের জাদু রয়েছে এই মানুষটির লেখায়। সেলিম হাসানের প্রথম বই নীলাবতী নীলাঞ্জনা  অমর একুশে গ্রন্হমেলা ২০২২-এ সময়ের সুর প্রকাশন কর্তৃক প্রকাশিত হয়। এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, উপন্যাসটি পাঠক মহলে খুব সাড়া ফেললে পরের বছরেরই তিনি থ্রিলার জনরার উপন্যাস “প্রতিটি রাতই ভয়ংকর ছিল” প্রকাশ করেন। বইটি পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। বইটির সফলতার জন্য পাঠকমহলে লেখক বেশ প্রংশসিত হয়েছেন। বইমেলায় প্রথম সংস্করণ বিক্রিত হলে দ্বিতীয় সংস্করণ বের করা হয়।  তাঁর লেখা পড়লে এক অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করে। তাঁর প্রতিটি লেখা গিয়ে রেখা টানে মনের অতল গহীনে!তাঁর লেখা গল্প-ছড়া-কবিতা বিভিন্ন অনলাইন ম্যাগাজিন, পত্রিকায় বরাবর প্রকাশ হয়ে আসছে। 
তিনি  বলেন— এখন আমার চলার পথ সরল হলেও একটা সময় ভিষণ বাঁকা ছিল, অজস্র বাঁধা ছিল। বন্ধুবান্ধব থেকে শুরু করে এমনকি অনেক আত্মীয় স্বজনরা আমাকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করত, লেখালেখি করে কি আর সংসার হবে তারচেয়ে বরং তুমি সময়টা কাজে লাগাও এমন অসংখ্য মন্তব্য আমাকে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে দেয়নি, ভীষণ হতাশায় শেষ হতে চলছিল আমার সাহিত্য যাত্রা। তবে আলহামদুলিল্লাহ! আমার মনোবল ভাঙ্গেনি, আমি চেষ্টা করেছি, আল্লাহ চেয়েছিলেন তাই আমি আজ সেলিম হাসান হতে পেরেছি। খুব শীঘ্রই আমার পাঠকদের জন্য নতুন বই আসছে, আমার প্রাণ আমার পাঠকেরা তাদের কাছে আমি চিরঋণী। আমি তাদের ভালবাসায় বরাবরই মুগ্ধ হই! তাদের ভালোবাসায় এভাবেই কাটিয়ে দিতে চাই ক্ষুদ্র এ’জীবন।খুব ছোট্টবেলা থেকে দারিদ্র্যতার মাঝে আমার বেড়ে ওঠা জীবনে অনেককিছুই অপূর্ণ হ’য়ে গেছে, পূর্ণতার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা যা আমার বুকে সাহস জুগিয়ে যাচ্ছে দিনদিন ভিষণ ভালোবাসি তোমাদের।
তার প্রকাশিতব্য বইয়ের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন— আমি অনেক যত্নে নতুন একটি পান্ডুলিপি নিয়ে কাজ করছি দীর্ঘ সময় জুড়ে নাম–যে গল্প আজও ছাপা হয়নি।
খুব সাদামাটা গল্প নিয়ে রচিত হবে এই রোমান্টিক জনরার  বইটি। শুধু এটুকু জানাতে চাই আমার প্রাণের মানুষদের –কিছুকিছু গল্প আমাদের মস্তিষ্কে গেঁথে যায়। ভাবনায় মিশে যায়।ভাবায় গল্পের চরিত্রগুলো নিয়ে।গল্পটা সাদামাটা হলেও আপনাকে গভীর ভাবে আকর্ষণ করবে।  আপনার তৃষ্ণা বেড়ে যাবে পড়ার জন্য, পড়তে পড়তে আপনি আশ্চর্য ভাবে গল্পের মাঝে ঢুকে পড়বেন। ইনশাআল্লাহ।

এভাবেই লিখে যেতে চান আগামীর দিনগুলোতেও!  পাঠক/ পাঠিকা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রাপ্ত দোয়া ও ভালোবাসায়৷

আপনার সফলতা কামনা করছি।