Add more content here...
Dhaka ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
মহিপুরে সাধুর ব্রিজ ভেঙে পড়ল খালে, ভোগান্তিতে পর্যটক সহ ৫ গ্রামের মানুষ গোপালগঞ্জে পতিত জমিতে মিলছে মণে মণে মাছ: প্রধানমন্ত্রী অর্থ সাশ্রয় বিবেচনায়প্রকল্প নিতে হবে প্রধানমন্ত্রী লালপুরে এ্যাডভোকেট আবুল কালাম এমপিকে গণ সংবর্ধনা সিদ্ধিরগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রকে পিটিয়ে জখম দরিদ্রদের জন্য চিকিৎসাসেবা আরোসহজ করার উপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মোকে নিয়ে ভারতীয় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা-বিশ্লেষশকগণ মেহেরপুরে বিদেশী পিস্তল সহ ৫ যুবক আটক দৈনিক বর্তমান সংবাদ পত্রিকার ২ য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বাঘায় সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাৎ ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৬০ Time View

মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল,কেন্দুয়া ( নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সুজন মিয়া নামে এক প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) রাজিব হোসেনের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সুজন মিয়ার চাচা রিপন মিয়া।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া। একই ওর্য়াডের খালিজুড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার প্রতিবন্ধী ছেলে সুজন মিয়ার ভাতার টাকা তাঁর নিজস্ব মোবাইল নাম্বারে পরিবর্তে। ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া তাঁর নিজের স্বজনের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে প্রতিবন্ধী সুজনের ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য বাবুলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি হুমকি প্রধান করেন। এছাড়াও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার সময় সুজনের কাছ থেকে
২ হাজার টাকা উৎকোষ নিয়েন ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে বিষয় স্বীকার করে ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া দৈনিক ক্রাইম তালাশকে জানান, প্রতিবন্ধী সুজনের ভাতার ১০ হাজার টাকা আমি উত্তলন করেছি। এই টাকা তিনি প্রতিবন্ধী সুজনকে ফেরত দিতে রাজি হয়েছেন। বাকি টাকার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) রাজিব হোসেন বলেন, তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

মহিপুরে সাধুর ব্রিজ ভেঙে পড়ল খালে, ভোগান্তিতে পর্যটক সহ ৫ গ্রামের মানুষ

প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাৎ ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

Update Time : ১১:২২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মীর আমিনুল ইসলাম বুলবুল,কেন্দুয়া ( নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সুজন মিয়া নামে এক প্রতিবন্ধীর ভাতার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) রাজিব হোসেনের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সুজন মিয়ার চাচা রিপন মিয়া।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া। একই ওর্য়াডের খালিজুড়া গ্রামের সুলতান মিয়ার প্রতিবন্ধী ছেলে সুজন মিয়ার ভাতার টাকা তাঁর নিজস্ব মোবাইল নাম্বারে পরিবর্তে। ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া তাঁর নিজের স্বজনের মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করে প্রতিবন্ধী সুজনের ১৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য বাবুলকে জিজ্ঞেস করলে তিনি হুমকি প্রধান করেন। এছাড়াও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার সময় সুজনের কাছ থেকে
২ হাজার টাকা উৎকোষ নিয়েন ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে বিষয় স্বীকার করে ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া দৈনিক ক্রাইম তালাশকে জানান, প্রতিবন্ধী সুজনের ভাতার ১০ হাজার টাকা আমি উত্তলন করেছি। এই টাকা তিনি প্রতিবন্ধী সুজনকে ফেরত দিতে রাজি হয়েছেন। বাকি টাকার কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) রাজিব হোসেন বলেন, তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।