Add more content here...
Dhaka ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ি আর,কে গ্রুপে বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন টাঙ্গাইল গোপালপুরে ২০১ গম্বুজ মসজিদ চত্বরে পুলিশ বক্স স্থাপন শহিদ বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি পেলেন স্কুল শিক্ষক মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস  ২০২৪ উপলক্ষে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করলেন নাটোর ১ আসনের অ্যাড: আবুল কালাম আজাদ এমপি মহোদয় টাঙ্গাইল মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আলোচনা সভা,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করলেন নাটোর ১ আসনের অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ এমপি মহোদয় রৌমারীতে মহান শহিদ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত মাধবপুরে মুখ ঝলসে যাওয়া শিশুর আকুতি সিদ্ধিরগঞ্জে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে ছিদ্দীকিয়া ইসলামিয়া মাদরাসায় প্রতিযোগিতা ও অভিভাবক সম্মেলন বগুড়ার কাহালুতে দীর্ঘ ২১ বছর পর মা ফিরে পেল তার শারীরিক প্রতিবন্ধী রুস্তম কে
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

পুরানো জৌলুসে ফিরলো ঢাকা গেট,সাথে – বিবি মরিয়ম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১২২ Time View

আরমান হোসেন খান,জেলা প্রতিনিধি,ঢাকা: প্রায় সব দেশেই ঐতিহাসিক শহরে প্রবেশদ্বারে বা ফটকের আলাদা ইতিহাস রয়েছে। আছে মিথ ও গাঁথা। ঢাকার তেমনি একটি ফটক আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বর পেরিয়ে টিএসসি যেতে চোখে পড়ে মোঘল আমলের নান্দনিক সেই স্হাপত্যকীর্তি ‘ ঢাকা গেট ‘।

সাড়ে তিন শতকের বেশি আগে তৎকালীন বাংলার সুবেদার মীর জুমলা ঢাকার নিরাপত্তার কথা ভেবে এ স্হাপনা নির্মাণ করেন। তৎকালীন সময়ে ঢাকায় প্রবেশ করতে হলে এ ফটক দিয়েই করতে হতো। মোঘল আমলে ঢাকার পরিসর, এর জনবিন্যাস বা সংস্কৃতি কেমন ছিলো তা জানতে হলে ঢাকা গেট সম্পর্কে ধারণা রাখা চাই।

ঢাকা যে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত -এ কথা তো আজকালের নয়। বরং এর প্রায়োগিক দিক সেকালে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। মোঘল আমলে ক্রমশ স্ফীত শহরের সীমানা বোঝাতে এ ফটকের নাম আসতো, কেউ কেউ বলতে শুরু করেন ‘ মীর জুমলা গেট ‘।পরে কখনো
‘ ময়মনসিংহ গেট ‘ বা কখনো ‘ ঢাকা গেট ‘ এবং ‘ রমনা গেট ‘ নামেও পরিচিত হয় এই নগর ফটক।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আরো একবার স্হানটির নাম পরিবর্তন হয়ে হয় ‘ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ‘।বর্তমানে এটি রাজধানী ঢাকায় সবুজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।
বাংলাদেশ সরকারের গেজেট অনুসারে এ ফটক ও আশপাশের এলাকার নাম দেওয়া হয় ‘ মীর জুমলা গেট ‘।

এই গেটের তিনটি আলাদা অংশ রয়েছে। একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবায়নযোগ্য শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের দিকে, মাঝখানের অংশ পড়েছে রোড ডিভাইডারের মাঝে এবং শেষ অংশটি রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে তিন নেতার মাজারের কাছে। কিন্তু এক সময় ইতিহাসের এ স্মারক প্রায় হারাতে বসেছিলো।

এ সংস্কারে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযুক্তি ঘটেছে। গুলিস্তানের উসমানী উদ্যান থেকে সরিয়ে এনে গেটের পাশে স্হাপন করা হয়েছে আসামের যুদ্ধে মীর জুমলার ব্যবহার করা সবচেয়ে বড় কামানটি ; বিবি মরিয়ম কামান।

একসময় কামানটি অর্ধেক বালির নিচে তলিয়ে গেলে ১৮৪০ সালে ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াল্টার্স চকবাজার এলাকায় স্হাপন করেন। এরপর আরো কয়েকবার স্থান বদল হয়। ঢাকা জাদুঘরের পরিচালক নলিনীকান্ত ভট্টশালীর উৎসাহে ১৯২৫ সালে বিবি মরিয়মকে সদরঘাটে স্হাপন করা হয়। ১৯৫৭ সালে ডিআইটির সভাপতি জিএ মাদানী তৎকালীন ডিআইটি অ্যাভিনিউয তথা গুলিস্তানে স্থানান্তর করেন। সেখানে তিন যুগ অবস্থানের পর ১৯৮৩ সালে ওসমানী উদ্যানে স্থানান্তর হয়।
সর্বশেষ সদ্য সংস্কারকৃত ঢাকা গেটের পাশে স্থাপিত হয়েছে ‘ বিবি মরিয়ম ‘।
সে হিসেবে এ কামানও নিছক যুদ্ধের সরঞ্জাম হয়ে থাকেনি, হয়েছে ঢাকার ঐতিহাসিক বাঁক বদলের সাক্ষী।

মীর জুমলার সঙ্গে ঢাকা গেট ও বিবি মরিয়ম কামানের ইতিহাস অবিচ্ছেদ্য। সে হিসেবে নতুন সংস্কার ও সংযুক্তি রাজধানীর ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক যুগলবন্দি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ি আর,কে গ্রুপে বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলন

পুরানো জৌলুসে ফিরলো ঢাকা গেট,সাথে – বিবি মরিয়ম

Update Time : ০৬:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪

আরমান হোসেন খান,জেলা প্রতিনিধি,ঢাকা: প্রায় সব দেশেই ঐতিহাসিক শহরে প্রবেশদ্বারে বা ফটকের আলাদা ইতিহাস রয়েছে। আছে মিথ ও গাঁথা। ঢাকার তেমনি একটি ফটক আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার দোয়েল চত্বর পেরিয়ে টিএসসি যেতে চোখে পড়ে মোঘল আমলের নান্দনিক সেই স্হাপত্যকীর্তি ‘ ঢাকা গেট ‘।

সাড়ে তিন শতকের বেশি আগে তৎকালীন বাংলার সুবেদার মীর জুমলা ঢাকার নিরাপত্তার কথা ভেবে এ স্হাপনা নির্মাণ করেন। তৎকালীন সময়ে ঢাকায় প্রবেশ করতে হলে এ ফটক দিয়েই করতে হতো। মোঘল আমলে ঢাকার পরিসর, এর জনবিন্যাস বা সংস্কৃতি কেমন ছিলো তা জানতে হলে ঢাকা গেট সম্পর্কে ধারণা রাখা চাই।

ঢাকা যে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত -এ কথা তো আজকালের নয়। বরং এর প্রায়োগিক দিক সেকালে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। মোঘল আমলে ক্রমশ স্ফীত শহরের সীমানা বোঝাতে এ ফটকের নাম আসতো, কেউ কেউ বলতে শুরু করেন ‘ মীর জুমলা গেট ‘।পরে কখনো
‘ ময়মনসিংহ গেট ‘ বা কখনো ‘ ঢাকা গেট ‘ এবং ‘ রমনা গেট ‘ নামেও পরিচিত হয় এই নগর ফটক।
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আরো একবার স্হানটির নাম পরিবর্তন হয়ে হয় ‘ সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ‘।বর্তমানে এটি রাজধানী ঢাকায় সবুজের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র।
বাংলাদেশ সরকারের গেজেট অনুসারে এ ফটক ও আশপাশের এলাকার নাম দেওয়া হয় ‘ মীর জুমলা গেট ‘।

এই গেটের তিনটি আলাদা অংশ রয়েছে। একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবায়নযোগ্য শক্তি গবেষণা কেন্দ্রের দিকে, মাঝখানের অংশ পড়েছে রোড ডিভাইডারের মাঝে এবং শেষ অংশটি রয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে তিন নেতার মাজারের কাছে। কিন্তু এক সময় ইতিহাসের এ স্মারক প্রায় হারাতে বসেছিলো।

এ সংস্কারে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযুক্তি ঘটেছে। গুলিস্তানের উসমানী উদ্যান থেকে সরিয়ে এনে গেটের পাশে স্হাপন করা হয়েছে আসামের যুদ্ধে মীর জুমলার ব্যবহার করা সবচেয়ে বড় কামানটি ; বিবি মরিয়ম কামান।

একসময় কামানটি অর্ধেক বালির নিচে তলিয়ে গেলে ১৮৪০ সালে ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াল্টার্স চকবাজার এলাকায় স্হাপন করেন। এরপর আরো কয়েকবার স্থান বদল হয়। ঢাকা জাদুঘরের পরিচালক নলিনীকান্ত ভট্টশালীর উৎসাহে ১৯২৫ সালে বিবি মরিয়মকে সদরঘাটে স্হাপন করা হয়। ১৯৫৭ সালে ডিআইটির সভাপতি জিএ মাদানী তৎকালীন ডিআইটি অ্যাভিনিউয তথা গুলিস্তানে স্থানান্তর করেন। সেখানে তিন যুগ অবস্থানের পর ১৯৮৩ সালে ওসমানী উদ্যানে স্থানান্তর হয়।
সর্বশেষ সদ্য সংস্কারকৃত ঢাকা গেটের পাশে স্থাপিত হয়েছে ‘ বিবি মরিয়ম ‘।
সে হিসেবে এ কামানও নিছক যুদ্ধের সরঞ্জাম হয়ে থাকেনি, হয়েছে ঢাকার ঐতিহাসিক বাঁক বদলের সাক্ষী।

মীর জুমলার সঙ্গে ঢাকা গেট ও বিবি মরিয়ম কামানের ইতিহাস অবিচ্ছেদ্য। সে হিসেবে নতুন সংস্কার ও সংযুক্তি রাজধানীর ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এক যুগলবন্দি।