Add more content here...
Dhaka ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

দশমিনায় চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অতিষ্ঠ উপজেলার মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • ২৩ Time View

দশমিনা প্রতিনিধিঃপটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত রাতের অন্ধকারে চুরির ঘটনা ঘটছে বলে জানাযায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরের মালামাল স্বর্ণ টাকা ও ধন সম্পদ লুট করে নিয়ে যায় চোর চক্র এতে নিঃস্ব হচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষ এতে চুরি যাওয়া মানুষ যেমন সর্বস্ব হারিয়ে হচ্ছে নিঃস্ব তেমনি চুরির ঘটনায় উপজেলার অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

জানা যায়, গত ৪-৫ মাস যাবত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে গভীর রাতে চোরচক্রের সদস্যরা ধারণা করা হচ্ছে মানসিক হিপনোটাইজিং স্প্রে ব্যবহার করে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে জানালার গ্রিল কেটে ও তালা ভেঙে ঘড়ে প্রবেশ করে সিন্দুক ও লকারের লক ও তালা ভেঙে অভিনব কায়দায় স্বর্ন অলঙ্কার নগদ টাকা সহ মূল্যবান সম্পদ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোর চক্রের সদস্যরা। এতে নিস্ব হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ নিজের সারা জীবনের পুঁজী হারিয়ে ভেঙে পরছে শত ভুক্তভোগী পরিবার।
চুরির শিকার হওয়া এক ভুক্তভোগী বলেন, গত ৪ মাস আগে চোর চক্র আমার বসত ঘরের পাটাতনের এক পাশের জানালার গ্রিল কেটে অভিনব কায়দায় আমার ঘরে প্রবেশ করে ঘরের ভেতরে থাকা লকার ভেঙে ৫ ভড়ি স্বর্ন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের সকল সদস্যরা ঘরে থাকলেও চোর চক্র হিপনোটাইজিং স্প্রে ব্যাবহার করার ফলে তারা গভীর ঘুমে মগ্ন হয়ে অচেতন হয়ে পরলে চোর চক্র সকল মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বলেন এই চুরির ঘটনার বিষয়ে স্হানীয় থানায় অভিযোগ করলে ও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেননি এমনকি অভিযোগের কোনো তদন্ত করেন নি দশমিনা উপজেলা প্রাশাসন।
উপজেলার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীদের দাবি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিরব ভূমিকা পালনে চোর চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
স্হানীয়রা জানায়, স্হানীয় কিছু অসাধু কুচক্রী মহলের সাহায্যে নিয়ে চোর চক্র এই লুটপাট চালায় চুরির বিষয় নিয়ে স্হানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা যদি একটু কঠোর অবস্থান অবলম্বন করে তাহলে হয়তো উপজেলা বাসি এই চুরির মতো ঘটনা থেকে পরিত্রান পেতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

দশমিনায় চোরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অতিষ্ঠ উপজেলার মানুষ

Update Time : ০৭:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

দশমিনা প্রতিনিধিঃপটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত রাতের অন্ধকারে চুরির ঘটনা ঘটছে বলে জানাযায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরের মালামাল স্বর্ণ টাকা ও ধন সম্পদ লুট করে নিয়ে যায় চোর চক্র এতে নিঃস্ব হচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষ এতে চুরি যাওয়া মানুষ যেমন সর্বস্ব হারিয়ে হচ্ছে নিঃস্ব তেমনি চুরির ঘটনায় উপজেলার অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

জানা যায়, গত ৪-৫ মাস যাবত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে গভীর রাতে চোরচক্রের সদস্যরা ধারণা করা হচ্ছে মানসিক হিপনোটাইজিং স্প্রে ব্যবহার করে অভিনব কৌশল অবলম্বন করে জানালার গ্রিল কেটে ও তালা ভেঙে ঘড়ে প্রবেশ করে সিন্দুক ও লকারের লক ও তালা ভেঙে অভিনব কায়দায় স্বর্ন অলঙ্কার নগদ টাকা সহ মূল্যবান সম্পদ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোর চক্রের সদস্যরা। এতে নিস্ব হচ্ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ নিজের সারা জীবনের পুঁজী হারিয়ে ভেঙে পরছে শত ভুক্তভোগী পরিবার।
চুরির শিকার হওয়া এক ভুক্তভোগী বলেন, গত ৪ মাস আগে চোর চক্র আমার বসত ঘরের পাটাতনের এক পাশের জানালার গ্রিল কেটে অভিনব কায়দায় আমার ঘরে প্রবেশ করে ঘরের ভেতরে থাকা লকার ভেঙে ৫ ভড়ি স্বর্ন ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরিবারের সকল সদস্যরা ঘরে থাকলেও চোর চক্র হিপনোটাইজিং স্প্রে ব্যাবহার করার ফলে তারা গভীর ঘুমে মগ্ন হয়ে অচেতন হয়ে পরলে চোর চক্র সকল মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বলেন এই চুরির ঘটনার বিষয়ে স্হানীয় থানায় অভিযোগ করলে ও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেননি এমনকি অভিযোগের কোনো তদন্ত করেন নি দশমিনা উপজেলা প্রাশাসন।
উপজেলার সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীদের দাবি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নিরব ভূমিকা পালনে চোর চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
স্হানীয়রা জানায়, স্হানীয় কিছু অসাধু কুচক্রী মহলের সাহায্যে নিয়ে চোর চক্র এই লুটপাট চালায় চুরির বিষয় নিয়ে স্হানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা যদি একটু কঠোর অবস্থান অবলম্বন করে তাহলে হয়তো উপজেলা বাসি এই চুরির মতো ঘটনা থেকে পরিত্রান পেতে পারে।