Add more content here...
Dhaka ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

টাঙ্গাইল গোপালপুর কচুরিপানার চাপে ভেঙ্গে পড়লো ব্রীজ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪
  • ২৭ Time View

মনিরুজ্জামান,টাঙ্গাইল:কচুরি পানার প্রবল চাপে ভেঙ্গে পড়েছে
ঝিনাই নদীর উপর নির্মিত টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নগদা শিমলা ইউনিয়নের বনমালী-জামতৈল ব্রীজ। এতে বিলডগা, বনমালী থেকে জামতৈল,সোনাটাসহ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। কৃষিপন্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়, ঝিনাই নদীর পানির প্রবল স্রোতে ভেসে আসা কচুরিপানা ব্রীজের পশ্চিম জমতে থাকে। কচুরি পানার চাপে বুধবার দুপুরে ৪০মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫ফুট ব্রীজের দুটি স্লাব ভেঙ্গে নদীতে পড়েছে। ব্রীজটি এল‌জিইডির অধীনে ২০০০সালে নির্মিত হয়েছিলো।
ব্রীজের উজানে কচুরিপানার স্তর এতটাই পুরু হয়েছে যে, প্রবল স্রোতের ঝিনাই নদীর ওপর কচুরিপানা দিয়ে এপার থেকে ওপার দৌড়ে পাড় হওয়া যাচ্ছে।
বিলডগা গ্রামের কৃষক হরমুজ জানান, সোমবার থেকে স্রোতের সাথে কচুরিপানা আসতে থাকে, আমরা (স্থানীয়রা) নিজ উদ্যোগে ছাড়িয়ে দিতাম। বুধবার উপজেলা ইলেকশন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এদিকে কেউ আসতে পারি নাই। এরপর কচুরিপানার চাপে ব্রীজটি ভেঙ্গে গেছে। এখন যাতায়াতের খুব সমস্যা হচ্ছে। অনেক ঘুরে নলিন হাটসহ অন্যান্য হাটে যেতে হবে। ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাই।
নগদা শিমলা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেল বলেন, ব্রীজটি অনেক পুরনো ও পিলারের নিচে মাটি সরে যাওয়ায় কচুরিপানা চাপে ব্রিজের একাংশ ভেঙে পড়েছে। এলজিইডি ও ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করবো।
উপ‌জেলা এল‌জিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফাত্তাউর রহমান ব‌লেন, সেতু‌টি অনেক পুরোনো হওয়ায় নির্মাণ ব্যয়ের ফাইল অফিসে নেই। এটা আর সংস্কার করা যাবে না। ৫০০ মিটার ডাউনে আরেকটি ব্রীজের প্রকল্প দেয়া আছে। প্রকল্পটি পাশ হয়ে এলে আগামী এক বছরের মধ্যে ডাউনে আরেকটি ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

x

টাঙ্গাইল গোপালপুর কচুরিপানার চাপে ভেঙ্গে পড়লো ব্রীজ

Update Time : ০৭:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুন ২০২৪

মনিরুজ্জামান,টাঙ্গাইল:কচুরি পানার প্রবল চাপে ভেঙ্গে পড়েছে
ঝিনাই নদীর উপর নির্মিত টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নগদা শিমলা ইউনিয়নের বনমালী-জামতৈল ব্রীজ। এতে বিলডগা, বনমালী থেকে জামতৈল,সোনাটাসহ কয়েকটি গ্রামের যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। কৃষিপন্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়, ঝিনাই নদীর পানির প্রবল স্রোতে ভেসে আসা কচুরিপানা ব্রীজের পশ্চিম জমতে থাকে। কচুরি পানার চাপে বুধবার দুপুরে ৪০মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫ফুট ব্রীজের দুটি স্লাব ভেঙ্গে নদীতে পড়েছে। ব্রীজটি এল‌জিইডির অধীনে ২০০০সালে নির্মিত হয়েছিলো।
ব্রীজের উজানে কচুরিপানার স্তর এতটাই পুরু হয়েছে যে, প্রবল স্রোতের ঝিনাই নদীর ওপর কচুরিপানা দিয়ে এপার থেকে ওপার দৌড়ে পাড় হওয়া যাচ্ছে।
বিলডগা গ্রামের কৃষক হরমুজ জানান, সোমবার থেকে স্রোতের সাথে কচুরিপানা আসতে থাকে, আমরা (স্থানীয়রা) নিজ উদ্যোগে ছাড়িয়ে দিতাম। বুধবার উপজেলা ইলেকশন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এদিকে কেউ আসতে পারি নাই। এরপর কচুরিপানার চাপে ব্রীজটি ভেঙ্গে গেছে। এখন যাতায়াতের খুব সমস্যা হচ্ছে। অনেক ঘুরে নলিন হাটসহ অন্যান্য হাটে যেতে হবে। ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানাই।
নগদা শিমলা ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান সোহেল বলেন, ব্রীজটি অনেক পুরনো ও পিলারের নিচে মাটি সরে যাওয়ায় কচুরিপানা চাপে ব্রিজের একাংশ ভেঙে পড়েছে। এলজিইডি ও ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করবো।
উপ‌জেলা এল‌জিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী ফাত্তাউর রহমান ব‌লেন, সেতু‌টি অনেক পুরোনো হওয়ায় নির্মাণ ব্যয়ের ফাইল অফিসে নেই। এটা আর সংস্কার করা যাবে না। ৫০০ মিটার ডাউনে আরেকটি ব্রীজের প্রকল্প দেয়া আছে। প্রকল্পটি পাশ হয়ে এলে আগামী এক বছরের মধ্যে ডাউনে আরেকটি ব্রীজ নির্মাণ করা হবে।