Add more content here...
Dhaka ০১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাই ঘটনায় গ্রেফতার এক স্মার্ট ফোনে দাখিল পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসচক্রের ২১ মাদ্রাসা  শিক্ষককে অব্যাহতি পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ডিসি সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেনাপোলে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেফতার দৌলতপুরে বালু উত্তোলনের জন্য একজনকে ৫০০০০/টাকা জরিমানা এবং ২ টি ড্রেজার অকেজো গোপালপুর নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড ৯১ তম মাড়াই মৌসুমী সমাপ্তি ঘোষনা জনপ্রিয় আলেম ও বক্তা মাওলানা লুৎফর রহমানের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সিমরাইল এলাকা হতে  (৭৯৪) বোতল) ফেনসিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ও প্রাইভেটকার জব্দ মানিকগঞ্জ কবরস্থান থেকে গভীর রাতে ১৮টি কঙ্কাল চুরি
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

আজ ২৪ জানুয়ারি রক্তস্নাত চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবস

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৫০ Time View

এস,কে কৃষ্ণা,ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফঃ এদিন বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের সাথে বঙ্গবন্ধুর খুনীরা আঁতাত করে পুলিশের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা চালায়।

সেদিন ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৮ সাল পুলিশ, লালদীঘি এলাকার প্রায় এ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চালায় তাদের পরিকল্পিত তাণ্ডব। চারদিক হয়ে উঠে অন্ধকার। জনতার দিকবিদিক ছুটোছুটিতে তৈরি হয় ভীতিকর পরিবেশ।

লালদীঘি ময়দানে সেদিন ছিল স্বৈরাচারবিরোধী সমাবেশ। সেখানে অংশ নিতে সেদিন চট্টগ্রামে আসেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। লালদীঘি ময়দানে যাওয়ার পথে কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনের পথ যখন নেত্রীকে বহনকারী গাড়ি অতিক্রম করে ঠিক তখন শুরু হয় গাড়ির বহর ও জনতার উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ। শেখ হাসিনার গাড়ি বহর ও জনতার উপর নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। ওই হামলায় ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। আহত হয় শতশত ছাত্র, শ্রমিক ও পেজাজীবী জনতা।

সেদিনের হামলায় অংশ নেয়া এক পুলিশ সদস্যের রাইফেলের কানেকশন বেল্ট খুলে যাওয়ায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। এসময় আইনজীবীরা শেখ হাসিনাকে কর্ডন করে আইনজীবী সমিতি অফিসে নিয়ে রক্ষা করেন। সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকে নির্মিত ছোট্ট স্মৃতিফলকে প্রতি বছর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

ওইদিন গণহত্যায় নিহত শহীদরা হলেন মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দীন শামীম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথেলবাট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি-কে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আবদুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হেসেন, পংকজ বৈদ্য, বাহার উদ্দীন, হাশেম মিয়া, মো. কাশেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাস, শাহাদাত, বিকে দাস, চান্দ মিয়া ও সমর দত্ত।

‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ নামে পরিচিত এই ঘটনার চার বছর পর ১৯৯২ সালে আইনজীবী শহীদুল হুদা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কমিশনার মির্জা রকিবুল হুদাসহ ৪৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশের গুলিতে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বিভিন্ন সময়ে শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যাচেষ্টা করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাই ঘটনায় গ্রেফতার এক

x

আজ ২৪ জানুয়ারি রক্তস্নাত চট্টগ্রাম গণহত্যা দিবস

Update Time : ০৮:২১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৪

এস,কে কৃষ্ণা,ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফঃ এদিন বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের সাথে বঙ্গবন্ধুর খুনীরা আঁতাত করে পুলিশের মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা চালায়।

সেদিন ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৮ সাল পুলিশ, লালদীঘি এলাকার প্রায় এ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চালায় তাদের পরিকল্পিত তাণ্ডব। চারদিক হয়ে উঠে অন্ধকার। জনতার দিকবিদিক ছুটোছুটিতে তৈরি হয় ভীতিকর পরিবেশ।

লালদীঘি ময়দানে সেদিন ছিল স্বৈরাচারবিরোধী সমাবেশ। সেখানে অংশ নিতে সেদিন চট্টগ্রামে আসেন তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। লালদীঘি ময়দানে যাওয়ার পথে কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনের পথ যখন নেত্রীকে বহনকারী গাড়ি অতিক্রম করে ঠিক তখন শুরু হয় গাড়ির বহর ও জনতার উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ। শেখ হাসিনার গাড়ি বহর ও জনতার উপর নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। ওই হামলায় ২৪ জনকে হত্যা করা হয়। আহত হয় শতশত ছাত্র, শ্রমিক ও পেজাজীবী জনতা।

সেদিনের হামলায় অংশ নেয়া এক পুলিশ সদস্যের রাইফেলের কানেকশন বেল্ট খুলে যাওয়ায় শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান। এসময় আইনজীবীরা শেখ হাসিনাকে কর্ডন করে আইনজীবী সমিতি অফিসে নিয়ে রক্ষা করেন। সেই নারকীয় হত্যাকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে আদালত প্রাঙ্গণের প্রধান ফটকে নির্মিত ছোট্ট স্মৃতিফলকে প্রতি বছর ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।

ওইদিন গণহত্যায় নিহত শহীদরা হলেন মো. হাসান মুরাদ, মহিউদ্দীন শামীম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথেলবাট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি-কে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আবদুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হেসেন, পংকজ বৈদ্য, বাহার উদ্দীন, হাশেম মিয়া, মো. কাশেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাস, শাহাদাত, বিকে দাস, চান্দ মিয়া ও সমর দত্ত।

‘চট্টগ্রাম গণহত্যা’ নামে পরিচিত এই ঘটনার চার বছর পর ১৯৯২ সালে আইনজীবী শহীদুল হুদা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ কমিশনার মির্জা রকিবুল হুদাসহ ৪৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। শেখ হাসিনার জনসভায় পুলিশের গুলিতে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বিভিন্ন সময়ে শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যাচেষ্টা করা হয়।