সমাজে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়া গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বাড়ানো সম্ভব।
সমাজবিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় পরিচয়ের পার্থক্যের চেয়ে মানবিক মূল্যবোধকে গুরুত্ব দিলে সামাজিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়।


