Add more content here...
Dhaka ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

হরিণাকুন্ডুতে স্কুলের প্রণোদনার টাকাপ্রধান শিক্ষকের পকেটে

শরিফ আহম্মেদ চাঁদ,হরিণাকুন্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে স্কুলে উদ্দীপনের বিশেষ বরাদ্দের ৫ লাখ টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন এই টাকা পকেটস্থ করেন বলে অভিযোগ। হরিণাকুন্ডু উপজেলা মাধ্যমিক অফিস সুত্রে জানা গেছে, সরকারি বিশেষ প্রণোদনা বাবাদ হরিনাকুন্ডু উপজেলার তিনটি স্কুলে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। মন্ত্রনালয়ের চিঠিতে উক্ত ৫ লাখ টাকা ব্যায়ের খাত উল্লেখ থাকলেও সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই টাকা যথেচ্ছা ব্যবহার করেছেন। এ বিষয়ে স্কুল কমিটির সভাপতি ও দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দৈনিক ক্রাইম তালাশ কে জানান, বরাদ্দের ৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রধান শিক্ষককে ৩ লাখ টাকার চেক সাক্ষর করে দিয়েছি। যার মধ্যে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকদের বিশেষ উদ্দীপন বাবদ এক লাখ আশি হাজার টাকা, স্কুলের ল্যাবের কম্পিউটার, বই ও আসবাব পত্র কেনা বাবদ এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা। স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন কম্পিউটার ল্যাবের ৩টা নষ্ট ডিসপ্লে ও পুরাতন কম্পিউটার মাউস সাংবাদিকদের দেখান। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দের টাকা প্রধান শিক্ষক নিজের কাছে রেখেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন জানান, ৩ টা ল্যাপটপ ডিসপ্লে ও পুরাতন মাউস বাবাদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি কোন অর্থ তছরুপ করেননি বলেও জানান। অভিযোগের বিষয়ে স্কুলের সভাপতি দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। স্কুলের টাকা তছরুপ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রহন করা হবে। উল্লেখ্য এর আগে সোনাতনপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীনের বিরুদ্ধে স্কুলের ৩ পদে নিয়োগ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্বেও তিনি নিয়োগ সম্পন্ন করে আইন ভঙ্গ করেন বলে অভিযোগ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

x

হরিণাকুন্ডুতে স্কুলের প্রণোদনার টাকাপ্রধান শিক্ষকের পকেটে

Update Time : ০৫:৪০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩

শরিফ আহম্মেদ চাঁদ,হরিণাকুন্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে স্কুলে উদ্দীপনের বিশেষ বরাদ্দের ৫ লাখ টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন এই টাকা পকেটস্থ করেন বলে অভিযোগ। হরিণাকুন্ডু উপজেলা মাধ্যমিক অফিস সুত্রে জানা গেছে, সরকারি বিশেষ প্রণোদনা বাবাদ হরিনাকুন্ডু উপজেলার তিনটি স্কুলে ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। মন্ত্রনালয়ের চিঠিতে উক্ত ৫ লাখ টাকা ব্যায়ের খাত উল্লেখ থাকলেও সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই টাকা যথেচ্ছা ব্যবহার করেছেন। এ বিষয়ে স্কুল কমিটির সভাপতি ও দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ দৈনিক ক্রাইম তালাশ কে জানান, বরাদ্দের ৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রধান শিক্ষককে ৩ লাখ টাকার চেক সাক্ষর করে দিয়েছি। যার মধ্যে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষকদের বিশেষ উদ্দীপন বাবদ এক লাখ আশি হাজার টাকা, স্কুলের ল্যাবের কম্পিউটার, বই ও আসবাব পত্র কেনা বাবদ এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা। স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন কম্পিউটার ল্যাবের ৩টা নষ্ট ডিসপ্লে ও পুরাতন কম্পিউটার মাউস সাংবাদিকদের দেখান। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দের টাকা প্রধান শিক্ষক নিজের কাছে রেখেছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীন জানান, ৩ টা ল্যাপটপ ডিসপ্লে ও পুরাতন মাউস বাবাদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি কোন অর্থ তছরুপ করেননি বলেও জানান। অভিযোগের বিষয়ে স্কুলের সভাপতি দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। স্কুলের টাকা তছরুপ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রহন করা হবে। উল্লেখ্য এর আগে সোনাতনপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহাবুদ্দীনের বিরুদ্ধে স্কুলের ৩ পদে নিয়োগ দিয়ে ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্বেও তিনি নিয়োগ সম্পন্ন করে আইন ভঙ্গ করেন বলে অভিযোগ।