Add more content here...
Dhaka ১২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নবীগঞ্জ থানায় ৩টি সাজায় ওয়ারেন্টে মোট ছয় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার আজ তৃতীয় দিনের মতো কোটা সংস্কারের দাবিতে (রাবি) শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ বগুড়ার কাহালুতে নিরাপদ সড়ক চাই কমিটির উদ্যোগে অসহায় প্রতিবন্ধী লিটন কে হুইলে চেয়ার প্রদান ভালো নেই আদিতমারীর মহিষখোচা ইউনিয়নের হরিজন সম্প্রদায়ের লোকেরা বগুড়ায় ট্রাক ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক সহ নিহত ৪জন আহত ২ লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলায় বীমা কোম্পানির আড়ালে জমজমাট দেহ ব্যবসা লালপুরে উপজেলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু বগুড়ার আদমদীঘিতে জামাইয়ের হাতে শাশুড়ি খুন ভোলায় সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন রৌমারীতে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশঃ
প্রিয়" পাঠকগণ", "শুভাকাঙ্ক্ষী" ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে:- কিছুদিন যাবত কিছু প্রতারক চক্র দৈনিক ক্রাইম তালাশ এর নাম ব্যবহার করে প্রতিনিধি নিয়োগ ও বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তার সাথে একটি সক্রিয় চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে "দৈনিক ক্রাইম তালাশ"কে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখবেন "দৈনিক ক্রাইম তালাশ" এর অফিসিয়াল পেজ বা নিম্নের দুটি নাম্বার ব্যাতিত কোন রকম লেনদেনে জড়াবেন না। মোবাইল: 01867329107 হটলাইন: 01935355252

তিতাসে ছেলের চেয়ারের আঘাতে মা’র মৃত্যু,দাবি পরিবারের-জানাজায় অংশ নেয়নি প্রাষন্ড ছেলে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪
  • ৪৭ Time View

নিজস্ব সংবাদদাতা: কুমিল্লা তিতাসের মঞ্জুরা বেগম (৬০) নামে এক গৃহিণীর মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ও এলাকায় ভাইরাল হয়েছে প্রতিবেশীর কাছ থেকে কোরবানির ভাগের গোস্ত আনার জেরে মা’কে লাত্থি মেরে ও চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে বড় ছেলে নবীর হোসেন। তবে পুলিশ বলছে নিহতের শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যেহেতু বিতর্ক হচ্ছে তাই বুধবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। গেলো মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কালিরবাজার সংলগ্ন কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মঞ্জুরা বেগম ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী ও দ্বিতীয় সাতানী গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়,মঞ্জুরা বেগম ও শান্তি মিয়ার সংসারে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে সবার বড় ছেলে নবীর হোসেন বাড়ীতে বাবা-মা’র কাছ থেকে আলাদা থাকে। ঈদের দিন প্রতিবেশী স্বজনদের বাড়ি থেকে কোরবানীর গোস্ত আনায় রাতে এ নিয়ে মা ও ছেলে নবীর হোসেনের মধ্যে তর্ক হয়। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাত করলে মঞ্জুরা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পরে। এসময় পিতা শান্তি মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও গলা ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে পরে থাকা মা অভিশাপ দিতে থাকলে, তলপেটে সজোরে লাত্থি মারে ছেলে নবীর হোসেন। এরপরই মঞ্জুরা বেগম অসুস্থ হয়ে পরে এবং তাকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই পাষন্ড ছেলে নবীর হোসেন পলাতক রয়েছে বলে জানায় স্বজনরা। এদিকে থানা পুলিশ ঘটনা জানলেও তেমন কোন ভূমিকা ছিলো না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। রাতভর ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বলে একটা শ্রেনি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করে পাষন্ড ছেলের শ্বশুরবাড়ীর লোকজন। অন্য দিকে গৃহিনীর এমন মৃত্যুর খবরে এলাকাসহ সামাজিক মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠে এবং বিতর্কিত মন্তব্য ও ঘৃণা জানিয়ে বিচার দাবি করেন সুশিল সমাজের মানুষেরা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করেন। নিহত মঞ্জুরা বেগমের মেঝো মেয়ে সাফিয়া বেগমসহ পরিবারের লোকজন জানায়, আমার মাকে হত্যা করেছে এটাই সত্য। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। আমরা আজকে (বৃহস্পতিবার) থানায় লিখিত অভিযোগ দিমু। পুলিশ মামলা না নিলে আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে বিচার প্রার্থী হইমু। এলাকাবাসী জানায়, নবীর হোসেন অত্যান্ত খারাপ প্রকৃতির ছেলে। সে এর আগেও বহুবার তার মাকে মারধর ও বিশ্রি ভাষায় গাল মন্দ করেছে। গ্রাম পঞ্চায়েত কয়েকবার শালিশ করে সমাধানও দিয়েছে। এই হত্যার নিন্দা জানাই। এ বিষয়ে তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাস সাংবাদিকদের জানান, মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যমে বিতর্ক হওয়ায় আমরা লাশের ময়নাতদন্ত করেছি। তবে শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশি it কোম্পানি

নবীগঞ্জ থানায় ৩টি সাজায় ওয়ারেন্টে মোট ছয় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

x

তিতাসে ছেলের চেয়ারের আঘাতে মা’র মৃত্যু,দাবি পরিবারের-জানাজায় অংশ নেয়নি প্রাষন্ড ছেলে

Update Time : ০৭:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

নিজস্ব সংবাদদাতা: কুমিল্লা তিতাসের মঞ্জুরা বেগম (৬০) নামে এক গৃহিণীর মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ও এলাকায় ভাইরাল হয়েছে প্রতিবেশীর কাছ থেকে কোরবানির ভাগের গোস্ত আনার জেরে মা’কে লাত্থি মেরে ও চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে বড় ছেলে নবীর হোসেন। তবে পুলিশ বলছে নিহতের শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যেহেতু বিতর্ক হচ্ছে তাই বুধবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। গেলো মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার সাতানী ইউনিয়নের কালিরবাজার সংলগ্ন কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মঞ্জুরা বেগম ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী ও দ্বিতীয় সাতানী গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়,মঞ্জুরা বেগম ও শান্তি মিয়ার সংসারে ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে সবার বড় ছেলে নবীর হোসেন বাড়ীতে বাবা-মা’র কাছ থেকে আলাদা থাকে। ঈদের দিন প্রতিবেশী স্বজনদের বাড়ি থেকে কোরবানীর গোস্ত আনায় রাতে এ নিয়ে মা ও ছেলে নবীর হোসেনের মধ্যে তর্ক হয়। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে আঘাত করলে মঞ্জুরা বেগম মাটিতে লুটিয়ে পরে। এসময় পিতা শান্তি মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও গলা ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। মাটিতে পরে থাকা মা অভিশাপ দিতে থাকলে, তলপেটে সজোরে লাত্থি মারে ছেলে নবীর হোসেন। এরপরই মঞ্জুরা বেগম অসুস্থ হয়ে পরে এবং তাকে উদ্ধার করে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই পাষন্ড ছেলে নবীর হোসেন পলাতক রয়েছে বলে জানায় স্বজনরা। এদিকে থানা পুলিশ ঘটনা জানলেও তেমন কোন ভূমিকা ছিলো না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। রাতভর ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে স্ট্রোক করে মৃত্যু হয়েছে বলে একটা শ্রেনি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল করে পাষন্ড ছেলের শ্বশুরবাড়ীর লোকজন। অন্য দিকে গৃহিনীর এমন মৃত্যুর খবরে এলাকাসহ সামাজিক মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠে এবং বিতর্কিত মন্তব্য ও ঘৃণা জানিয়ে বিচার দাবি করেন সুশিল সমাজের মানুষেরা। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মর্গে প্রেরণ করেন। নিহত মঞ্জুরা বেগমের মেঝো মেয়ে সাফিয়া বেগমসহ পরিবারের লোকজন জানায়, আমার মাকে হত্যা করেছে এটাই সত্য। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। আমরা আজকে (বৃহস্পতিবার) থানায় লিখিত অভিযোগ দিমু। পুলিশ মামলা না নিলে আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে বিচার প্রার্থী হইমু। এলাকাবাসী জানায়, নবীর হোসেন অত্যান্ত খারাপ প্রকৃতির ছেলে। সে এর আগেও বহুবার তার মাকে মারধর ও বিশ্রি ভাষায় গাল মন্দ করেছে। গ্রাম পঞ্চায়েত কয়েকবার শালিশ করে সমাধানও দিয়েছে। এই হত্যার নিন্দা জানাই। এ বিষয়ে তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কাঞ্চন কান্তি দাস সাংবাদিকদের জানান, মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন মাধ্যমে বিতর্ক হওয়ায় আমরা লাশের ময়নাতদন্ত করেছি। তবে শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ।